

এম. জুলফিকার আলী ভূট্টো, বিশেষ প্রতিনিধি-
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আয়োজনে জাতীয় সমাজসেবা দিবস-২০২৩ খ্রি. উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা এবং সুদ মুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ, প্রতিবন্ধী ভাতার বই, মেধা বৃত্তি,অনুদান ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
২ জানুয়ারী-২০২৩ খ্রি. সোমবার দুপুরে “উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায়, দেশ গড়বো সমাজ সেবায়”
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা,
সুদ মুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ, প্রতিবন্ধী ভাতার বই, মেধা বৃত্তি, অনুদান ও শীতবস্ত্র বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আয়োজনে জাতীয় সমাজসেবা দিবস-২০২৩ খ্রি. উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র, নির্মলেন্দু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য, কল্যান মিত্র বড়ুয়া, জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, টিটন খীসা,খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সদর সার্কেল, জিনিয়া চাকমা, সহকারী সিভিল সার্জন, মিটন চাকমা, জেলা দূর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি, সুদর্শন দত্ত।
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক, রোকেয়া বেগমের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক, মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে জাবারাং কল্যাণ সমিতি’র নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রিপন চাকমা, সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক, মো. জসীম উদ্দিন, সদর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সুইচিং থুই মারমাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি পার্বত্য পরিষদের চেয়ারম্যান, মংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে। তার গুণে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম একটি সুন্দর দেশ পেয়েছি। তারই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারবো। তিনি আরো বলেন, আমরা সকলে মিলে কাজ করলে বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশ তৈরি করতে পারবো। সকলে মিলে সকলকে নিয়ে যাতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।
সভা শেষে তিনজনকে ২০ হাজার টাকা করে সুদ মুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ, আর্থিক ভাবে অস্বচ্ছল ২০ জন (জনপ্রতি) ৩ হাজার ৫’শ টাকা, ১০ জন অস্বচ্ছল ভাতাভোগীদের মাঝে প্রতিবন্ধী ভাতার বই ও ১০ জনের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :