নজরদারির অভাবে কাতিহার পশুর হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়


প্রকাশের সময় : জুন ২২, ২০২৪, ৫:১৬ অপরাহ্ন / ২১
নজরদারির অভাবে কাতিহার পশুর হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়

পেয়ার আলী, রানীশংকৈল-

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল কাতিহার সাপ্তাহিক পশু হাটে মাত্রাতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ইজারাদারের বিরুদ্ধে। উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের কাতিহার হাটের ইজারাদারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। গরু ও ছাগল বিক্রিতে মাত্রাতিরিক্ত টোল আদায়ে ইজারাদারের উদরপূর্তি হলেও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে সাধারণ ক্রেতা-বিক্রেতা। প্রতিবছর ইজারা মূল্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতার পকেট কাটার প্রতিযোগিতা।

প্রতি সপ্তাহের শনিবার নির্ধারিত হাটের দিন। উপজেলার মধ্যে সব থেকে বড় হাট কাতিহারহাট। উপজেলাসহ উপজেলার বাইরে থেকেও আসা পর্যাপ্ত গরু-ছাগল ক্রয়-বিক্রয় হয় এই হাটে। নিয়ম অনুযায়ী হাটের দৃশ্যমান স্থানে টোল চার্ট প্রদর্শন ও রশিদের মাধ্যমে টোল আদায় বাধ্যতামূলক।

২২ জুন (শনিবার) সরেজমিন কাতিহার হাটে গিয়ে দেখা মেলে ভিন্ন চিত্রের। হাটের কোথাও টোল চার্ট প্রদর্শন করা হয়নি। গরু-ছাগল বিক্রির সময় রশিদ প্রদান করা হলেও টোলের হার উল্লেখ করা নেই। ফলে আইনের তোয়াক্কা না করে এভাবেই চলছে বছরের পর বছর শুভঙ্করের ফাঁকি।

জেলা প্রশাসন অনুমোদিত টোল হার অনুযায়ী প্রতি গরুতে শুধুমাত্র ক্রেতার কাছ থেকে ২৩০ টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও এখানে ক্রেতার কাছে ৫০০ টাকা নেয়া হচ্ছে | ছাগল প্রতি শুধুমাত্র ক্রেতার কাছ থেকে ৯০ টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও এখানে ক্রেতার থেকে ১৮০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ টাকা ইজারাদারের পকেটে গেলেও সমপরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতারা।

পীরগন্জ এলাকা থেকে আসা শমসের আলী বলেন, বাড়িতে পালনের জন্য একটি গাভী কিনেছি। এই বাবদ আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। আলম নামে এক পাইকার বলেন, এখন অধিকাংশ পাইকার বাড়ি গিয়ে গরু-ছাগল কেনার দিকে ঝুঁকছেন। কারণ হাটগুলোতে গরু-ছাগল কিনলেই বাড়তি টোল দিতে হচ্ছে। বাড়ি থেকে কিনলে টোলের টাকা বেঁচে যায়।

হাটের ইজারাদার লিয়নকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি এক জনপ্রতিনিধির সাথে দেখা করতে বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসানকে অতিরিক্ত টোলের বিষয়ে মুঠোফোনে কল দেয়া হলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।