শরীরে গ্রেনেডের স্পিন্টার নিয়েই বেঁচে আছি: স্মরণে সভা বক্তারা


প্রকাশের সময় : জুন ২১, ২০২৪, ১১:৩৪ অপরাহ্ন / ২১
শরীরে গ্রেনেডের স্পিন্টার নিয়েই বেঁচে আছি: স্মরণে সভা বক্তারা

স্টাফ রিপোর্টঃ

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় ২০০৪ সালের ২১ জুন দিরাই পৌরশহরের আখড়া পয়েন্টে আওয়ামী লীগের সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ওপর গ্রেনেড হামলায়, হতাহতদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার(২১ জুন বেলা ১১ টায় গ্রেনেড হামলায় আহতদের আয়োজনে থানা পয়েন্টস্থ জালাল সিটি সেন্টারের কনফারেন্স হলে এ আলোচনা সভা হয়।

এতে দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট সোহেল আহমদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সিরাজ উদ দৌলা তালুকদার, উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোহন চৌধুরী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি এই দেশকে পাকিস্তান বানাতে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের মদতে, ২০০৪ সালে সারা বাংলাদেশে একযোগে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল, দিরাইয়েও আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা করে। বক্তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে দিরাই শাল্লা আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের উপস্থিতিতে ওই সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় একজন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হন। বিশেষ এ দিনটিতে দিরাই আওয়ামী লীগের কোন কর্মসূচি না থাকা অত্যন্ত পরিতাপের। বক্তারা আরও বলেন ২০০৪ সালে সারা বাংলাদেশে একযোগে গ্রেনেড হামলায় যারা নিহত ও আহত হয়েছিল, বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তারা সরকারি ভাবে অনুদান পেয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় ২১ জুন ২০০৪ সালের আওয়ামী লীগের সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ওপর গ্রেনেড হামলায় নিহত ও আহতদের সুচিকিৎসার জন্য আজও কোনো অনুদান পাইনি। আজও আমরা সেই গ্রেনেডের স্পিন্টার শরীরে নিয়েই বেঁচে আছি।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে দিরাই আখড়া পয়েন্টে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ওয়াহিদ মিয়া নামের একজন নিহত হন। এ ঘটনায় দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট সোহেল আহমদ, সিরাজ উদ দৌলা তালুকদারসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত।