

ডেস্ক রিপোর্ট :
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (১২ অক্টোবর) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, লেনদেন শুরুর পর থেকেই বাজারে বিক্রয়চাপ লক্ষ্য করা যায়, ফলে সূচকগুলো নিম্নমুখী প্রবণতা ধরে রাখে।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১০ পয়েন্ট কমে ৫,২৭২ পয়েন্টে অবস্থান করে। এছাড়া, ডিএসই শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ১,১২৯ পয়েন্টে, আর ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ২,০২৭ পয়েন্টে নেমে আসে।
এই সময় পর্যন্ত মোট ৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৬টি কোম্পানির, কমেছে ১৬৪টি কোম্পানির, এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮৮টি কোম্পানির শেয়ার দর।
লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো— সিমটেক ইন্ডাস্ট্রি, রহিমা ফুড, প্রগতি লাইফ, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, সোনালি পেপার, রূপালি লাইফ, ওরিয়ন ইনফিউশন, কে অ্যান্ড কিউ এবং ডোমেনেজ।
লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট কমে যায়। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে ৮ পয়েন্ট কমে, আর সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক নেমে যায় ২৫ পয়েন্ট কমে ৫,২৫৮ পয়েন্টে।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সিএএসপিআই সূচক সকাল সাড়ে ১০টায় ২৮ পয়েন্ট কমে ১৪,৯১৯ পয়েন্টে অবস্থান করে। যদিও কিছু সময় পর সূচক ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে মোট ৭০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১১টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, ১২টির কমেছে, এবং ৪টির শেয়ার দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলা এবং নতুন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের ধীরগতিই সূচককে কিছুটা চাপে ফেলেছে। তবে তারা আশা করছেন, দিনের শেষার্ধে বাজারে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা ফিরে আসতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :