সলঙ্গায় চাঁদা না দেওয়ায় ভবন ভাংচুর মামলায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন কারাগারে


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৭, ২০২২, ১১:১৭ অপরাহ্ন / ৩৬৩
সলঙ্গায় চাঁদা না দেওয়ায় ভবন ভাংচুর মামলায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন কারাগারে

 

আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জ ঃ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় চাঁদার দাবীতে ইউপি চেয়ারম্যান কন্যার ভবন ভাংচুর মামলায় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরের দিকে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কে এম শাহরিয়ার শহীদ বাপ্পী এ আদেশ দেন।

আসামীরা হলেন, সলঙ্গা থানা যুবলীগের যুগ্ন- আহবায়ক ও বাসুদেবকোল গ্রামের বাসিন্দা রিয়াদুল ইসলাম ফরিদ (৪০), থানা আওয়ামীলীগের তথ্য ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শরীফ সলঙ্গা গ্রামের আশরাফুল ইসলাম ছানোয়ার (৪৮), থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মধ্যপাড়া ভরমোহনী গ্রামের আব্দুল মোমিন (৩০), সলঙ্গা থানা লোড-আনলোড সমিতির সভাপতি কুঠিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তোজাম্মেল হক ওরফে তোজাম সর্দার (৬২) এবং ভেকু মেশিনের চালক ও নলকা সেনগাঁতী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সুজন (৩৫)।

সিরাজগঞ্জ কোর্ট পরিদর্শক মোঃ মোস্তফা কামাল জানান, মামলার আসামীরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবির মাধ্যমে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানের মেয়ে জাকিয়া সুলতানা সলঙ্গা বাজারে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমির উপর বহুতল ভবন নির্মাণ করছিলেন।

এ অবস্থায় থানা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রিয়াদুল ইসলাম ফরিদ ও থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান লাভু ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন।

চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে গত ১৪ মে আসামীরা একজোট হয়ে এসে নির্মাণাধীন ভবনটি ভেকু মেশিন ভাংচুর করে।
এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়।

এ ঘটনায় জাকিয়া সুলতানা বাদী হয়ে সলঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে আসামী করে সলঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।

আদালত মামলাটি তদন্তভার দেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)।

পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক আব্দুল খালেক ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।