

ডেস্ক রিপোর্ট :
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজার—ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)—সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। সকাল থেকেই বাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেলেও কিছু কোম্পানির শেয়ারে ইতিবাচক গতি লক্ষ্য করা গেছে।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর, অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট কমে ৫,৩৩৬ পয়েন্টে অবস্থান করে।
এ সময় ডিএসই শরীয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১,১৪৬ পয়েন্টে, এবং ডিএসই–৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ২,০৫১ পয়েন্টে রয়েছে।
সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট।
লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৪৭টির দাম বেড়েছে, ১৫১টির কমেছে এবং ৮০টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো—
সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, রূপালি লাইফ, এপেক্স স্পিনিং, ওরিয়ন ইনফিউশন, সোনালি পেপার, রহিমা ফুড, কে অ্যান্ড কিউ, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ও সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট।
লেনদেন শুরুর প্রথম দিকেই বাজারে ছিল ওঠানামা।
প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক ১২ পয়েন্ট বাড়ে, সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আবার ৮ পয়েন্ট কমে যায়।
এরপর সূচক কিছুটা নিম্নমুখী থাকলেও সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তা আবার ৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫,৩৪৭ পয়েন্টে অবস্থান করে।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচকও সকাল সাড়ে ১০টায় ৭ পয়েন্ট কমে ১৫,০৩৮ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। তবে এর কিছুক্ষণ পর সূচকের গতি আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে দেখা যায়।
এ সময় পর্যন্ত সিএসইতে ২ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়।
এর মধ্যে ২২টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, ৭টির কমেছে এবং ২টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বাজারের এই মিশ্র প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা সতর্কতা ও আশাবাদ—দুটিই তৈরি করেছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামগ্রিকভাবে বাজার স্থিতিশীল থাকলেও বিনিয়োগকারীদের এখনো পর্যবেক্ষণমুখী মনোভাবই প্রাধান্য পাচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :