পঞ্চগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় ছোট-বড় মোট ৬৫টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় কোটি টাকা


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১২, ২০২২, ১০:২৮ অপরাহ্ন / ৪০০
পঞ্চগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় ছোট-বড় মোট ৬৫টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় কোটি টাকা

 

মনজু হোসেন স্টাফ রিপোর্টারঃ

পঞ্চগড়: পঞ্চগড় সদর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় ছোট-বড় মোট ৬৫টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে করে প্রায় কোটি টাকার উপর ক্ষয় ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১১ নভেম্বর) দিনগত গভির রাতে পঞ্চগড় সদর বাজারে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে। এদিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দূর্ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাতে পঞ্চগড় বাজারের প্রায় সব দোকানই বন্ধ ছিল। সোয়া একটার দিকে শুঁটকির হাট থেকে হঠাৎ করেই আগুনের শিখা দেখেন আশপাশের কয়েকজন ব্যক্তি। এ সময় তাঁদের চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ মিঞা বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেউ যেন দোকানে লুটপাট বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নেয়। স্থানীয় লোকজনের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তারপরও ফায়ার সার্ভিস আগুন লাগার কারণ নির্ণয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ছোট-বড় মোট ৬৫টি দোকান পুড়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে ছোট দোকানই বেশি। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সময়মতো আগুন নিয়ন্ত্রণ না করলে তা পুরো বাজারে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি ছিল।

খবর পেয়ে দোকানমালিক, তাঁদের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। দ্রুতই আগুন বাজারের মুরগির দোকান, মাংসের দোকান, চুড়ি-ফিতা, চিড়া–মুড়ির দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের পঞ্চগড় ইউনিটের সদস্যরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে একে একে ফায়ার সার্ভিসের বোদা, আটোয়ারীসহ ছয়টি ইউনিটের সদস্যরা প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর আগুন নেভাতে পারে।