সরিষাবাড়ীতে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২, ২০২২, ৮:২৯ অপরাহ্ন / ৪০৫
সরিষাবাড়ীতে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি

কামরুজ্জামান লিটন, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি :

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নিয়োগ পরিক্ষাকে কেন্দ্র করে দু-পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। আজ (২ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের আদ্রা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আদ্রা আব্দুল গফুর জয়নাল আবেদীন আলিম মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষসহ ৬টি পদে চলতি বছরের জুনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। আরামনগর কামিল মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রার্থীদের পরিক্ষা গ্রহনের স্থান নির্ধারন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ছিল নিয়োগ প্রার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার দিন। পরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আদ্রা আব্দুল গফুর জয়নাল আবেদীন মাদ্রাসায় পরীক্ষা গ্রহনের সিদ্ধান্ত হয়।

সেমতে শুক্রবার সকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে এসে তালার উপর তালা ঝুলতে দেখতে পায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি মাদ্রাসার সভাপতি ও পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি পুলিশকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসায় আসেন। পরে পুলিশ ও সভাপতির উপস্থিতিতে ঐ তালা ভেঙ্গে ফেলা হয়। তালা ভেঙ্গে ফেলার কিছুক্ষন পরে একটি পক্ষ আরামনগর কামিলা মাদ্রাসায় পরীক্ষা গ্রহনের জোর দাবি জানায়। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় অবস্থা বেগতিক দেখে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাদ্রাসা ও এর আশপাশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে পুলিশি প্রহরায় নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম শেষ করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাফর আলী খান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়া হয়। এছাড়া অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহন করা হয়।

এ বিষয়ে আব্দুল গফুর জয়নাল আবেদীন আলীম মাদ্রাসার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ৬টি পদে নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করা হয়। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরীক্ষার স্থান আরামনগর কামিল মাদ্রাসার পরিবর্তে নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে করা হয়। পরীক্ষা শুরুর আগে একটি পক্ষ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।