

সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট, রাজশাহী প্রতিনিধি:
আর্থিক দৈন্যদশা দমাতে পারেনি তার ইচ্ছাশক্তিকে, কিন্তু অভাবের কালো মেঘ বারবার থমকে দিচ্ছিল তার স্বপ্নগুলোকে। রাজশাহীর বাঘার মীরগঞ্জ মোড়ের এক সাধারণ চা বিক্রেতার সেই মেধাবী কন্যার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন এবার ডানা মেলতে শুরু করেছে।অর্থাভাবে বই ও গাইড কিনতে না পারা সেই শিক্ষার্থীর পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়ে ত্রাতা হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এস.এম. সালাউদ্দিন আহমেদ শামীম সরকার।
স্বপ্নের পথে যখন দারিদ্র্য ছিল দেয়াল
রাজশাহীর মীরগঞ্জ মোড়ের এক জীর্ণ চা দোকানে চলে সেই শিক্ষার্থীর বাবার সংসার। নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর সংসারে মেয়ের মেধা থাকলেও পড়াশোনার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা ছিল এক দুঃসাধ্য বিলাসিতা। নতুন ক্লাসের বই আর গাইড কিনতে না পেরে যখন তার শিক্ষা জীবন অনিশ্চয়তার মুখে, ঠিক তখনই বিষয়টি নজরে আসে মণিগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রদলের কর্মীদের।
বিষয়টি অবগত হওয়া মাত্রই আর দেরি করেননি জেলা ছাত্রদলের কর্ণধার শামীম সরকার। তিনি সরাসরি চলে যান সেই শিক্ষার্থীর কাছে। নিজ উদ্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে কিনে দেন প্রয়োজনীয় সকল নতুন বই ও গাইড। তিনি শুধুমাত্র শিক্ষা উপকরণ দিয়েই ক্ষান্ত হননি। কথা দিয়েছেন সেই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ পড়াশোনার পথে যেকোনো প্রয়োজনে ছায়ার মতো পাশে থাকার।
শামীম সরকার জানান, রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা। কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন কেবল অর্থের অভাবে ঝরে না পড়ে, সেই দায়বদ্ধতা থেকেই আমি এই ছোট্ট উদ্যোগ নিয়েছি।
এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামীম সরকারের এমন মানবিক আচরণে মীরগঞ্জ মোড়সহ গোটা উপজেলায় বইছে প্রশংসার জোয়ার। স্থানীয়রা বলছেন, একজন ছাত্রনেতা ও হবু জনপ্রতিনিধি যখন সরাসরি মেঠোপথে নেমে সাধারণ মানুষের কষ্টের অংশীদার হন, তখন সেটি কেবল রাজনীতি থাকে না, হয়ে ওঠে মানুষের প্রতি মমত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ।
আপনার মতামত লিখুন :