পাঁচ বছরের জন্য সকল হাট-বাজারের খাজনা মওকুফ করলেন-মহিউদ্দিন মহারাজ


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১৬, ২০২৪, ৭:৪২ পূর্বাহ্ন / ৪৪
পাঁচ বছরের জন্য সকল হাট-বাজারের খাজনা মওকুফ করলেন-মহিউদ্দিন মহারাজ

এম এফ এইচ রাজু,
ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি-

পহেলা বৈশাখ-১৪৩১ বঙ্গাব্দ থেকে সকল হাটবাজারে খাজনা বাবদ কোনো টাকা দিতে হবে না পিরোজপুর-২ আসন (নেছারাবাদ, ভান্ডারিয়া ও কাউখালী) এই তিন উপজেলার জনগণকে বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য মোঃ মহিউদ্দিন মহারাজ।

ইতিমধ্যে নিজের নির্বাচনি এলাকার সকল হাট-বাজারের ইজারার টাকা তিনি পরিশোধ করে দিয়েছেন। এসকল উপজেলা ও পৌরসভাসহ হাটে বাজারে মাইকে ঘোষণা করা হয়েছে।

সংসদ সদস্য মোঃ মহিউদ্দিন মহারাজ তার এই ঘোষনায় ৩ (তিন) উপজেলার ক্ষুদ্র ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা মহাখুশি। ইতোমধ্যে তিনি ইজারার টাকা পরিশোধের সব আয়োজন ও সম্পন্ন করেছেন। ভোটে নেমে তিনি তার নির্বাচনী এলাকার হাট-বাজার জনসাধারণের জন্য খাজনামুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নেছারাবাদে মোট ৩৪টি হাট বাজার রয়েছে। এ ছাড়া স্বরূপকাঠী পৌরসভার আওতায় রয়েছে উপজেলা শহরের সবচেয়ে বড় জগন্নাথকাঠী বাজার। আর কাউখালী উপজেলায় হাটবাজার রয়েছে ১৬টি, একইভাবে ভান্ডারিয়া উপজেলায় রয়েছে ৩০টির বেশি হাট-বাজার।

সংসদ-সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজ এর একান্ত সচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জানান, কেবল ঘোষণা দেওয়াই নয়, ইতোমধ্যে হাটবাজারগুলোর ইজারা মূল্য পরিশোধের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ৩টি উপজেলা ও পৌরসভা তাদের নিজস্ব নিয়মে ইজারা দরপত্র অনুযায়ী সব টাকা সরকারকে পরিশোধ করে দিয়েছেন সংসদ-সদস্য। সুতারং পহেলা বৈশাখ থেকে এসব হাটবাজার বিনাখাজনায় ব্যবহার করবেন এই ৩ উপজেলার মানুষ।

এ বিষয়ে সংসদ-সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজ বলেন, পত্রপত্রিকা খুললেই হাট-ঘাট-বাজার ইজারার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের খবর পাওয়া যায়। এটা না দিলে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হয়। এজন্যেই আগে ভাগে ভেবে রেখেছি যে নির্বাচিত হলে আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষকে এই নির্যাতন থেকে মুক্তি দেব। সেই ভাবনা থেকে ৩টি উপজেলার সকল হাট-বাজার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ৮ই এপ্রিল নেছারাবাদে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ কালে তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় সকল হাটবাজারে খাজনা মওকুফের এই ঘোষণা দিয়েছেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ-সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন মহারাজ এমপি।