

মনোয়ারুল ইসলাম,
গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে একটি বাড়িতে ঢুকে একই পরিবারের চার সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। উত্তেজিত জনতা ঘাতক রনিকে (৩০) ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তালুককানুপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে বাবলু মিয়ার বাড়িতে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি এলাকার রনি নামের এক যুবক অতর্কিত প্রবেশ করে। সে বার্মিজ ছুরি দিয়ে হেলেনা বেগম (৫৫) নামের এক নারীকে গ’লা কেটে হত্যার চেষ্টা চালায়। হেলেনা বেগম রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে বাঁচাতে বাবলু মিয়া এবং তার দুই মেয়ে শেফালী আক্তার ও পাপরী খাতুন এগিয়ে আসেন। এসময় ঘাতক তাদেরও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। আহত হেলেনা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) স্থানান্তর করা হয়েছে। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী রনিকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়। আটক রনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার খয়বর মণ্ডলের ছেলে। খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত রনিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বাবলু মিয়ার পরিবারের ধারণা, তার ভাগ্নে দিপুর দ্বিতীয় বিবাহ কেন্দ্রিক পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হামলা হতে পারে। তবে অন্য কোনো শত্রুতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঘাতককে আটক করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে হামলার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। জে/এ

আপনার মতামত লিখুন :