[gtranslate]

তঞ্চঙ্গ্যা  জাতি পোশাকে, সামাজিক,সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন – এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন / ৮১
তঞ্চঙ্গ্যা  জাতি পোশাকে, সামাজিক,সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন – এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধিঃ

কোনো জাতিকে যদি ধ্বংস করতে চাও তাহলে  তার ভাষা ধ্বংস করে দেন  তঞ্চঙ্গ্যা জাতির কেন্দ্রীয় কমিটির বিষু মেলা অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি বক্তব্যে ৩০০ নং বান্দরবান সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী তিনি একথা বলেন। তিনি রবিবার (১২ ই এপ্রিল)  বিকাল ৫ টায় রোয়াংছড়ির বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যায় মাঠে এক সভায় একথা বলেন।তিনি  আরও বলেন বহু বছর ধরে তঞ্চঙ্গ্যা জাতিসত্তা নেতৃত্বে – কর্তৃত্বে শীর্ষে ছিলেন তিন পার্বত্য জেলায়। যাদের পরশে তঞ্চঙ্গ্যা জাতি সত্বা অনেক বেশি সম্বৃদ্ধশালী। বান্দরবান পার্বত্য জেলা- উপজেলার কাজ করার সময়  সবার সাথে  ভেরী ক্লোজ টু মি । তিনি আরও বলেন, তঞ্চঙ্গ্যা কমিউনিটি একটি রাজনৈতিক সামাজিক সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন এটা একটা খুবই পজিটিভ দিক। এজন্য রেস্টপেক্ট করি। অনুষ্ঠানে ব্যানারে বাংলার পাশাপাশি নিজের ভাষাও ( স্পেলিং) লিখে দিতে বলেন।আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাতিসত্বাকে স্বীকার ও স্বীকৃতি দিয়েছেন।

বোমাং সার্কেলের অধীনে বান্দরবান প্রায় ১৪ টি  জাতিসত্বা রয়েছে। এজন্য বান্দরবানকে মিনি চিটাগং হিলট্রাক বলা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফার বাস্তবায়নে ১১ টি ক্ষুদ্র  ভাষার  মধ্যে ১০ টার অনুবাদ রয়েছে সেখানে তঞ্চঙ্গ্যা ভাষাও অনুবাদ করা আছে। নিজস্ব  যে কোনো ফাংশানে/ অনুষ্ঠানে  নিজস্ব ভাষা ব্যবহার করা। সেটা তোমাদের অধিকার তোমাদের স্বীকৃতি।  নারী ও পুরুষের  নিজস্ব ট্রাডিশনাল পোশাক দেখে খুবই মুগ্ধ হয়েছি। এটা শুধু বাংলাদেশে প্রচারে নয় সারা বিশ্বে প্রচার হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে  ১৪ জাতি সত্বার রাষ্ট্রীভাবে যেখাবে সুযোগ আসবে সেটা প্রোফার্লী তঞ্চঙ্গ্যা জাতিও পাবে। তঞ্চঙ্গ্যা জাতির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি জানান  এবং গুনমুনি মহাজনের কথা স্বরণ করেন। এরঁ আগে প্রধান অতিথি ঘিলা খেলা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন করেন সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং কয়েকদিন  আগে  ৭০০ টি ঘিলা উপহার দেন।

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস)-কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটি এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিশেষ  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি  উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজমিন আলম তুলি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য  শৈসাঅং মার্মা, থানা অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্ব নাথ তঞ্চঙ্গ্যা, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অমিত ভূষণ তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজীব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা এবং সভাপতিত্ব করেন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী  কমিটির মহা-সচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা। এছাড়াও ঘিলা খেলা উপকমিটির আহ্বায়ক ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্য বিবাহী কমিটির সুচিত্রা তঞ্চঙ্গ্যা,শাক্যমিত্র তঞ্চঙ্গ্যা এ্যাড.বিমল তঞ্চঙ্গ্যা, বিরলাল তঞ্চঙ্গ্যা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। কেন্দ্রীয় বিষু উৎসবে ৪৭টি যুবক – যুবতীর দল অংশ গ্রহন করেন। সারা রাত ধরে ঘিলা খেলা প্রতিযোগিতা,অতিথি আপ্যায়ন  ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এবং সকালে খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হন পাগলা ছড়া পাড়া ও গুইনখ্যং তঞ্চঙ্গ্যা পাড়া।